ঢাকেশ্বরী মন্দির
আমরা প্রায় সকলেই কম বেশি জানি বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির হল শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী মন্দির। এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। মন্দিরে রয়েছে অষ্ট ধাতুর তৈরি দশভূজা অসুরদলনী মা দুর্গার বিগ্রহ। এক চালার এই বিগ্রহে মায়ের সঙ্গে রয়েছে লক্ষী,সরস্বতী,কার্তিক এবং সিদ্ধিদাতা গনেশের শ্রীবিগ্রহ। চালচিত্রের উপরে রয়েছে ধ্যানমগ্ন দেবাদিদেব।মন্দির আরও আছে মহাদেব এবং বাসুদেবের শ্রী মূর্তি। মন্দিরের পাশে রয়েছে পুকুর ও সারিবদ্ধ চারটে মনোরম শিব মন্দির।
মন্দিরের ইতিহাস নিয়ে রয়েছে নানা মুণির বিভিন্ন মত। তবে মায়ের নাম হল ঢাকেশ্বরী যার অর্থ ঢাকার ঈশ্বরী বা রক্ষাকর্তী।অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন ঢাকেশ্বরী নাম থেকেই ঢাকা নামটি এসেছে। এই মন্দির অনেক প্রাচীন।তবে মন্দির প্রতিষ্ঠায় দুজন ব্যক্তির কথা পাওয়া যায়। বল্লাল সেন ও মোঘল সম্রাট আকবরের সেনাপতি মানসিংহ।মানসিংহ এখানে মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন এ জনশ্রুতি আছে। তবে অধিকাংশ গবেষক সেন বংশের প্রবল পরাক্রমশালী রাজা বল্লাল সেন কে এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে মত দিয়েছেন। এ ব্যাপারে বলা হয়। কোন করনে মন্দিরের কাছে উপবনে বল্লাল সেনের মা কে বনবাস দেয়া অন্তসত্ত্বা অবস্থায় । তিনি বনে ঢাকেশ্বরী মায়ের আরাধনা করেন সেখানে বল্লাল সেনের জন্ম হয়। বনে জন্ম তাই বনলাল বা বল্লাল নাম রাখেন তার মা।
মন্দিরের ইতিহাস নিয়ে রয়েছে নানা মুণির বিভিন্ন মত। তবে মায়ের নাম হল ঢাকেশ্বরী যার অর্থ ঢাকার ঈশ্বরী বা রক্ষাকর্তী।অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন ঢাকেশ্বরী নাম থেকেই ঢাকা নামটি এসেছে। এই মন্দির অনেক প্রাচীন।তবে মন্দির প্রতিষ্ঠায় দুজন ব্যক্তির কথা পাওয়া যায়। বল্লাল সেন ও মোঘল সম্রাট আকবরের সেনাপতি মানসিংহ।মানসিংহ এখানে মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন এ জনশ্রুতি আছে। তবে অধিকাংশ গবেষক সেন বংশের প্রবল পরাক্রমশালী রাজা বল্লাল সেন কে এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে মত দিয়েছেন। এ ব্যাপারে বলা হয়। কোন করনে মন্দিরের কাছে উপবনে বল্লাল সেনের মা কে বনবাস দেয়া অন্তসত্ত্বা অবস্থায় । তিনি বনে ঢাকেশ্বরী মায়ের আরাধনা করেন সেখানে বল্লাল সেনের জন্ম হয়। বনে জন্ম তাই বনলাল বা বল্লাল নাম রাখেন তার মা।

